IMG-LOGO
বাড়ি ভ্রমণ মন্দিরের শহর কাঠমান্ডু
ভ্রমণ

মন্দিরের শহর কাঠমান্ডু

by Admin - 2021-03-10 10:12:26 1 Views 0 Comment
IMG

সংস্কৃত ‘কাষ্ঠ“মন্ডপ’ শব্দটি থেকেই কাঠমান্ডু
তুষারশুভ্র পর্বতমালা, ঘন সৱুজ উপত্যকা, জীববৈচিত্র‌্য আর ঐতিহ্যময় সংস্কৃতি নেপালের বৈশিষ্ট্য| হিমালয়ের দেশ নেপাল| এভারেস্ট, মাকালু, অন্নপূর্ণা, ধৌলাগিরি “হিমালয়ের একের পর এক তুষারশৃঙ্গকে যেন হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায়| সারা বিশ্ব থেকেই পর‌্যটকেরা এই বিষ্ময়কর অনুভূতির সাক্ষী হতে হাজির হন নেপালে| তেনজিং নোরগে ও এডমন্ড হিলারির এভারেস্ট জয়যাত্রাও শুরু হয়েছিল নেপালের ৱুক থেকেই| তারপরে একের পর এক অভিযাত্রীদল পৌঁছেছেন সেই লক্ষ্যে| এভারেস্ট জয় তো অনেক বড় স্বপ্ন, তাতো সবার পক্ষে সম্ভব নয়, তবে ট্রেকিং“এর উত্সাহ আর শারীরিক সক্ষমতা থাকলেই নেপালে এসে এভারেস্ট বেস ক্যাম্প ট্রেক করে নেওয়া যায়|
নেপালের আরেক আকর্ষণ একদিকে চিতওয়ানের জঙ্গল, পোখরার হ্রদ, কাঠমান্ডুর মন্দির অন্যদিকে ঝকমকে শপিং ম্যল, ক্যাসিনো আর আধুনিক রেস্তোরাঁগুলি| প্রাচীনত্ব আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে নেপালের বৈচিত্রময় লোকসংস্কৃতি পর‌্যটককে মুগ্ধ করে|


মন্দিরের শহর কাঠমান্ডু “নেপালের রাজধানী| ৭২৩ খ্রীষ্টাব্দে রাজা গুণ কামদেব কাঠমান্ডু শহরটি গড়ে তোলেন| সংস্কৃত ‘কাষ্ঠ“মন্ডপ’ শব্দটি থেকেই কাঠমান্ডু শব্দের উত্পত্তি বলে মনে করা হয়|
পশুপতিনাথের মন্দিরটিই প্রধান দ্রষ্টব্য| একে একে দেখে নেওয়া যায় রাজরাজেশ্বরী মন্দির, কৈলাস মন্দির, গোরখনাথ মন্দির, বৌদ্ধনাথ মন্দির, স্বয়ম্ভুনাথ, শিব“পার্বতী মন্দির, কালভৈরব মন্দির, ৱুঢ়ানীলকন্ঠ প্রভৃতি| কাঠমান্ডু থেকে মাউন্টেন ফ্লাইটে খুব কাছ থেকে হিমালয়ের তুষারবৃত শৃঙ্গগুলি দেখে নেওয়া যায়|
কাঠমান্ডু থেকে ৫ কিমি দূরে বাগমতী নদীর ধারে পশুপতিনাথ মন্দির| মন্দিরের কাছেই প্রাচীন শ্মশান| তিনতলা মন্দিরটি প্যাগোডা আকৃতির| মন্দিরের চূড়া সোনার পাতে মোড়া| মূল মন্দিরের দরজাটি রুপোর তৈরি| গেট দিয়ে ঢুকে প্রথমেই যেটা সামনে পড়ে, সেটা হল পাথরের বেদীতে বসানো সোনায় মোড়া বিশাল নন্দী মূর্তি| মন্দিরের গর্ভগৃহে মহাদেবের অবস্থান শিবলিঙ্গরূপে| মন্দিরে একশোটিরও অধিক শিবলিঙ্গ ও অন্যান্য হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে| প্রাচীন শিবমন্দিরটি পঞ্চদশ শতকে রাজা ভূপতীন্দ্র মল্ল নতুন করে গড়ে তোলেন| এটি একটি ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট| পশুপতিনাথ মন্দির দর্শনের সঙ্গেই দেখে নেওয়া যায় রাজরাজেশ্বরী, কৈলাস ও গোরখনাথ মন্দির|
শহর থেকে ৬ কিমি দূরে নেপালের উচ্চতম ও এশিয়ার বৃহত্তম বৌদ্ধস্তূপ বৌদ্ধনাথ | এটিও ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট| আনুমানিক ২৫০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে স্তূপটি নির্মিত হয়|
কাঠমান্ডু উপত্যকায় পাহাড়ি টিলার ওপর স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ |  তের শতকে এই স্তূপটি তৈরি হয়| সাদা গম্বুজাকৃতি স্তূপটি পবিত্র নির্বাণের প্রতীক| গম্বুজের নীচে ৱুদ্ধের চার জোড়া অনিমেষ চক্ষু| মন্দিরের চত্ত্বরের মধ্যে রয়েছে মিউজিয়াম|
কাঠমান্ডু শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত দরবার স্কোয়ার  বেড়িয়ে নিতেই গোটা একটা দিন লাগবে| এটি হনুমান ঢোকা প্যালেস স্কোয়ার নামেও স্থানীয়ভাবে পরিচিত| প্রধান দরওয়াজা বা গোল্ডেন গেট দিয়ে ঢোকার মুখেই হনুমানের একটি বিশাল পাথরের মূর্তি রয়েছে| দরবার স্কোয়ারকে দেবতা হনুমানই রক্ষা করছেন বলে মনে করা হয়| দরবার স্কোয়ারে ঢুকলে ন“তলা উঁচু রয়াল প্যালেসটি নজর কাড়ে| ১৭ শতকে এই প্রাসাদটি নির্মাণ করান রাজা পৃথ্বীনারায়ণ সাহু| এটি নওতলে দরবার নামেও পরিচিত| দরবার স্কোয়ারেই রয়েছে ত্রৈলোক্যমোহন মন্দির| ১৬ শতকে রানি ঋদ্ধিলক্ষ্মী এই মন্দিরটি গড়ে তোলেন| ত্রৈলোক্যমোহন মন্দিরের পাশেই কুমারী প্যালেস| এই চত্ত্বরেই রয়েছে শিব“পার্বতী, কালভৈরব ও জগন্নাথ মন্দির ও বিখ্যাত কাষ্ঠমন্ডপ| ১৫৯৬ সালে রাজা লক্ষ্মী নরসিংহ মল্লারের আমলে একটি গাছ কেটেই হনুমান ঢোকা প্যালেসের কাছে এই প্যাগোডাটি তৈরি করা হয়|
কাঠমান্ডু থেকে ৯ কিমি দূরে শিবপুরী পাহাড়ের নীচে ৱুঢ়ানীলকন্ঠ“এখানে উপাস্য দেবতা বিষ্ণু| পাথরের বিশালাকার বিষ্ণুমূর্তিটি একটি পুষ্করিণীর মধ্যে রয়েছে|
কাঠমান্ডু থেকে ৫ কিমি দূরে বাগমতীর তীরে পাটন অনেকগুলি হিন্দু ও বৌদ্ধমন্দির আছে| অতীতে নাম ছিল ললিতপুর| দেড় হাজার বছর আগে লিচ্ছবি বংশের রাজা বরদেব ললিতপুরের পত্তন করেন| কুম্ভেশ্বর, জগতনারায়ণ, কৃষ্ণ, মহাবৌদ্ধ, মচেন্দ্রনাথ প্রভৃতি মন্দিরগুলির ভাস্কর‌্য অপরূপ| এছাড়াও এখানে হিরণ্যবর্ণ মহাবিহার, মল্ল রাজাদের প্রাসাদ ও পাটন মিউজিয়াম দ্রষ্টব্য| পাটনের দরবার স্কোয়ার ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অর্ন্তভুক্ত|
শহর থেকে ১৪ কিমি দূরে ভক্তপুর| পথে পড়বে পবিত্র পুষ্করিণী সিদ্ধিপোখরি| ভক্তপুরের দ্রষ্টব্যগুলির মধ্যে রয়েছে ‘প্যালেস অব ফিফটি ফাইভ উইন্ডোজ’ নামে খ্যাত প্রাচীন রাজপ্রাসাদ, নিয়াতাপোল মন্দির, ভৈরবনাথ মন্দির, পশুপতি মন্দির, দত্তাত্রেয় মন্দির, মিউজিয়াম, লায়ন গেট, গোল্ডেন গেট, বড় ঘন্টা প্রভৃতি|
কাঠমান্ডু থেকে সড়ক পথে ঘন্টা চারেকের দূরত্বে ৭,৬২০ ফুট উচ্চতায় নির্জন দমন(ক্ত্বজ্বড্ডজ্বঢ)| এখান থেকে অন্নপূর্ণা, ধৌলাগিরি, এভারেস্ট প্রভৃতি তুষারশৃঙ্গগুলি অপরূপ লাগে|


চিতওয়ান ন্যাশনাল পার্ক“ চিতওয়ান অরণ্যের খ্যাতি একশৃঙ্গ গন্ডার ও রয়্যালবেঙ্গল টাইগারের জন্য| ৯৩২ বর্গ কিমি ব্যপী এই অরণ্য ৫০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৫৫ প্রজাতির উভচর ও সরীসৃপ এবং ৫২৫ প্রজাতির পাখির বাসভূমি| অরণ্যের ৱুক চিরে বয়ে যাচ্ছে রাপ্তি ও নারায়ণী নদী| এছাড়া গাউর, চিতল, সম্বর, বার্কিং ডিয়ার, ৱুনো শুয়োর, হাতি প্রভৃতি জীবজন্তুর দেখা মেলে| ১৯৮৪ সালে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এই অরণ্য| নদীতে ক্যানোরাইড এবং অরণ্যে হাতির পিঠে ভ্রমণের ব্যবস্থা আছে|


পোখরা“ পোখরার প্রধান আকর্ষণ ফেওয়া লেক | লেকের একপাড়ে ঘন জঙ্গল কুইন ফরেস্ট, উল্টোদিকে খাড়া উঠে গেছে সারাংকোটে পাহাড়| ফেওয়া লেকের ওপর ছাতার মতো রয়েছে অন্নপূর্ণা পর্বতমালা| মাছের লেজের মতো দেখতে মচ্ছ পুছরে  শিখরটি (৬,৯৭৭ মিটার) সুন্দর দেখতে লাগে| লেকের মাঝে বরাহি দেবীর মন্দির| লেকে বোটিংয়ের ব্যবস্থা আছে| শহরের মাঝ বরাবর বয়ে চলেছে শ্বেত গন্ডকী নদী| ২ কিমি দূরে ছাঙ্গো জলপ্রপাত বা দেবী ফলস| পোখরা থেকে ২ ঘন্টার দূরে স্ট্যালাগমাইট ও স্ট্যালাকমাইটের প্রাকৃতিক কারুকার‌্যে ভরা মহেন্দ্র গুহা| শহর থেকে ৪ কিমি দূরে পুরনো বাজারে রয়েছে বিন্ধ্যবাসিনীর প্রাচীন মন্দির| পোখরা মাউন্টেন মিউজিয়ামও ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম দুটি দ্রষ্টব্য|
পোখরা থেকে এভারেস্ট এয়ারের বিশেষ উড়ানে আকাশপথে দেখে নেওয়া যায় পশ্চিম হিমালয় পর্বতমালার অংশবিশেষ|
পোখরা থেকে হেলিকপ্টারে জমসম পৌঁছে ঘন্টাদুয়েকের যাত্রায় বেড়িয়ে নেওয়া যায় মুক্তিনাথ| এখানে মুক্তিনাথ মন্দির ও জ্বালামুখী মন্দির দর্শনীয়| আকাশ পরিষ্কার থাকলে এখান থেকে অন্নপূর্ণা রেঞ্জ খুব সুন্দর দেখা যায়|
পোখরা থেকে গাড়িতে কুরিন্তার পৌঁছে কেবলকারে মনোকামনা দেবীর মন্দির দর্শন করা যায়|


লুম্বিনী: গৌতমৱুদ্ধের জন্মস্থান লুম্বিনী নেপালের দক্ষিণে অবস্থিত| সারা বিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান| ঐতিহাসিক লুম্বিনী উদ্যানে অনেকগুলি প্রাচীন স্তূপ ও মনাস্ট্রি রয়েছে| ২৫০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে খোদিত অশোকের শিলালিপিতে রয়েছে ৱুদ্ধের জন্মগাথা|
লুম্বিনীর অন্যান্য দ্রষ্টব্যের মধ্যে রয়েছে মায়ামন্দির ও প্রাচীন কপিলাবস্তু , স্থানীয় লোকসংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে সোমবারের বাজারটি ঘুরে দেখতে হবে|


যাওয়াঃ“ বিমানবন্দর কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট নানান দেশের উড়ানই কাঠমান্ডু যাচ্ছে নিয়মিত| সড়কপথে ভারত“নেপাল সীমান্তের কাকরভিটা, বিরজুং, রক্সৌল , সুনৌলি, নেপালগঞ্জ, ধানগাধি, মহেন্দ্রনগর এবং চিন“নেপাল সীমান্তের কোদারি দিয়ে নেপাল প্রবেশ করা যায়|
কাঠমান্ডু থেকে নেপালের অন্যান্য স্থানগুলি প্যাকেজ টু্যরে বা গাড়িতে বেড়িয়ে নেওয়া যায়| পোখরা ও মুক্তিনাথের জন্য হেলিকপ্টার সর্ভিস আছে| চিতওয়ানেও উড়ানে পৌঁছোনো যায়| বিমানে বা বাস যাত্রায় পৌঁছাতে হবে লুম্বিনী|


মরসুমঃ“ ফেব্রুয়ারি থেকে মে এবং অগাস্ট থেকে নভেম্বর বেড়ানোর জন্য মনোরম|


থাকাঃ“ নেপালে বেড়ানো ও থাকার জন্য নেপাল টু্যরিজমের নানা প্যাকেজ ও ব্যবস্থা আছে| এছাড়া রয়েছে নানান বেসরকারি ব্যবস্থাপনা|


ট্রেকিং“ ট্রেকারদের স্বর্গ নেপাল| হিমালয়ের বিরাট রেঞ্জ আর সৱুজ তরাই অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় পর‌্যটকদের চিরকালের স্বপ্ন| নেপালের প্রধান প্রধান ট্রেকিং জোনগুলি হল এভারেস্ট রিজিওন, অন্নপূর্ণা রিজিওন, লাংটাং রিজিওন| এছাড়া কাঞ্চনজঙ্ঘা  ও মাকালু বেস ক্যাম্প, রলওয়ালিং, ধৌলাগিরি , গণেশ হিমাল ট্রেক এবং রেসট্রিকটেড এরিয়া ট্রেকের মধ্যে মানালসু, আপার ও লোয়ার দোলপো, লো“মাথাং|


এভারেস্ট বেস ক্যাম্প ট্রেকিং“ নেপালের জনপ্রিয় একটি ট্রেকিং এভারেস্ট বেস ক্যাম্প| সারা বিশ্ব থেকেই উত্সাহী ট্রেকার্সরা নিয়মিতই নেপালে আসেন এই ট্রেকটি করতে| এভারেস্ট বেস ক্যাম্প ট্রেকিং শুরু ও শেষ হয় লুকলা“য় | তাই এটি গেটওয়ে অব এভারেস্ট নামেও সুপরিচিত| লুকলায় এয়ারপোর্ট তৈরিতে সাহায্য করেছিলেন এডমণ্ড হিলারি|
লুকলা থেকে হাঁটা শুরু করে দুধকোশী উপত্যকা  হয়ে ২ দিনের ট্রেকপথে পৌঁছান যাবে নামচে বাজার| পথে ফাকডিং বা মনজোতে প্রথমদিনের বিশ্রাম| মনজোর কাছেই সাগরমাথা ন্যাশনাল পার্কের  জোরসালে চেক পয়েন্ট | এখানে অনুমতিপত্র দেখে নেওয়া হয়| দুধকোশী নদীর কোল ঘেঁষে কিছুটা এগিয়ে ঝোলানো ব্রিজ পেরিয়ে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পাহাড়ি পথ উঠে গেছে নামচে বাজারের দিকে|
হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ট্রেকিং“এর সরঞ্জামের দোকান, পাব, সাইবার কাফে সব নিয়ে বেশ জমজমাট এলাকা নামচে বাজার| এখানে দিনদুয়েক থাকলে হাই অল্টিচুডে ধীরে ধীরে শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটা কিছুটা অভ্যেস হবে| নামচে থেকে কয়েক ঘন্টার হাঁটাপথে বেড়িয়ে নেওয়া যায় স্যাংবোচে বা থামে, খুমজুম আর খুন্ডের মতো শেরপা গ্রামগুলি|
নামচে বাজারকে পিছনে ফেলে ইমজা খোলা উপত্যকা দিয়ে পথ এগিয়ে চলেছে| উপত্যকার ৱুক থেকে থামসেরকু, কাংটেগা আর আমা দাবলাম পর্বতমালার অসাধারণ ছবি মনে আঁকা হয়ে যায়| দিগন্তরেখায় তখন দুই প্রহরী মাথা তুলে দাঁড়িয়ে “লোহত্সে আর এভারেস্ট (ক্বত্তঞ্চণ্ডঞ্চণত)| নামচের পরের বিশ্রামস্থল ইমজা খোলা পেরিয়ে থ্যাংবোচে| সৱুজ প্রকৃতির মাঝে অপরূপ পরিবেশে থ্যাংবোচে মনাস্ট্রি (ঙ্খঞ্ঝত্রজ্বঢঞ্জজ্রণঝঞ্ঝঞ্চ গ্বণঢজ্বণতঞ্চণ্ডত্র) “পশ্চাত্পটে শ্বেতশুভ্র মাউন্ট আমা দাবলাম| ১৯৮৯ সালে মূল মনাস্ট্রিটি আগুনে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর নতুন মনাস্ট্রিটি গড়ে তোলা হয়|
থ্যাংবোচে থেকে প্যাংবোচে হয়ে পথ থেমেছে ফেরিচে বা ডিংবোচেতে“রাত্রির বিশ্রাম| শরীরটাকে আরেকটু মানিয়ে নেওয়ার জন্য এখানেও একদিন থেকে যাওয়া ভালো| বেড়িয়ে নেওয়া যায় ডিংবোচে থেকে ৩ ঘন্টার হাঁটাপথে ছুকুং|
ডিংবোচে বা ফেরিচে থেকে ৬ ঘন্টার হাঁটায় খুম্বু গ্লেসিয়ারের  লৱুচে পয়েন্টে পৌঁছান যাবে| এপথে শেষ বিশ্রামস্থল গোরক শেপ  | এখানে কালা পাত্থর   ভিউপয়েন্ট থেকে এভারেস্টের বিস্ময়কর অপরূপ রূপ প্রত্যক্ষ করা যায়| এখান থেকে গ্লেসিয়ারের গা বেয়ে ৫ ঘন্টার যাত্রাপথে এভারেস্ট বেস ক্যাম্প